
বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের “টার্গেটেড কিলিং” বা লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড একটি বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত অধ্যায়। বিশেষ করে ৯/১১–এর পর থেকে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক অভিযান, বিশেষ বাহিনীর অপারেশন এবং ড্রোন হামলার মাধ্যমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেতা ও সামরিক কমান্ডারকে হত্যা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি—এসব অভিযান ছিল জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তবে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের প্রশ্নে এসব ঘটনার সমালোচনাও কম হয়নি।
এই ব্লগে আমরা এমন ১০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি—বিশ্বনেতা, সামরিক কমান্ডার ও কুখ্যাত সন্ত্রাসী—সম্পর্কে আলোচনা করব, যাদের যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক অভিযানে হত্যা করেছে। প্রতিটি ঘটনার পেছনে রয়েছে ভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গোয়েন্দা তথ্য, কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া। কারও মৃত্যু বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়েছে, আবার কারও হত্যাকাণ্ড আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
চলুন, ইতিহাসের আলোচিত সেই ১০টি টার্গেটেড কিলিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশটির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। তার অধীনে ইরানের সামরিক কৌশল, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের নীতি পরিচালিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা এবং যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান ছিল তার রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম অংশ।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে তেহরানের একটি উচ্চ নিরাপত্তা কমপ্লেক্সে হামলা চালানো হয়। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, সেই হামলায় খামেনি নিহত হন। ইরান সরকার ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করে এবং ঘটনাটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে “শহীদত্ব” হিসেবে আখ্যায়িত করে।
এই হত্যাকাণ্ড মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কৌশলগত অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। ইরানের নেতৃত্ব কাঠামো, সামরিক প্রতিক্রিয়া এবং পারমাণবিক আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।

ওসামা বিন লাদেন ছিলেন আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠাতা এবং ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত ভয়াবহ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও পেন্টাগনে হামলার পর তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ওয়ান্টেড ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। প্রায় এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাকে খুঁজতে থাকে।
২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে “অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার” নামের গোপন অভিযানে মার্কিন নেভি সিল টিম সিক্স তাকে হত্যা করে। অভিযানের পর তার মরদেহ সমুদ্রে দাফন করা হয় বলে যুক্তরাষ্ট্র জানায়। এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র ৯/১১–এর প্রতিশোধ ও সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে বড় সাফল্য হিসেবে ঘোষণা করে।
তবে পাকিস্তানের ভেতরে অভিযান পরিচালনা করা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ছিল কিনা, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, তাকে গ্রেপ্তার না করে সরাসরি হত্যা করা কতটা ন্যায়সংগত ছিল। তবুও বিন লাদেনের মৃত্যু বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
আইমান আল-জাওয়াহিরি ছিলেন আল-কায়েদার সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর সংগঠনটির প্রধান। তিনি একজন মিশরীয় সার্জন থেকে জিহাদি আদর্শের শীর্ষ নেতায় পরিণত হন। ৯/১১ হামলার পরিকল্পনা ও মতাদর্শিক দিকনির্দেশনায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
২০২২ সালের ৩১ জুলাই আফগানিস্তানের কাবুলে মার্কিন সিআইএ পরিচালিত ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, অত্যন্ত নিখুঁত হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে কেবল তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং কোনো বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এই হত্যাকাণ্ড আফগানিস্তানে তালেবান শাসন প্রতিষ্ঠার পরও আল-কায়েদার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। একইসাথে এটি প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করলেও দূরবর্তী ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালাতে সক্ষম। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও সার্বভৌমত্ব ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।

কাসেম সোলাইমানি ছিলেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)–এর কুদস ফোর্সের প্রধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের অন্যতম কৌশলী স্থপতি। তিনি ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে বিভিন্ন মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন।
২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। এই হামলার নির্দেশ দেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, সোলাইমানি মার্কিন কূটনীতিক ও সেনাদের ওপর আসন্ন হামলার পরিকল্পনা করছিলেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। ইরান প্রতিশোধ হিসেবে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। অনেক আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন তোলেন—একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে তৃতীয় দেশে হত্যা করা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন কিনা। ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।

আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (PMF)-এর উপপ্রধান এবং ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া নেতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী তালিকায় ছিলেন এবং ইরানে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্য পরিচিত ছিলেন।
২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি কাসেম সোলাইমানির সঙ্গে একই মার্কিন ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র তাকে ইরাকে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলার অন্যতম সংগঠক হিসেবে অভিযুক্ত করে।
তার মৃত্যুর পর ইরাকজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ইরাকি পার্লামেন্ট বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব উত্থাপন করে। এই হত্যাকাণ্ড ইরাকের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও গভীর প্রভাব ফেলে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বকে আরও তীব্র করে তোলে এবং ইরাককে একটি কূটনৈতিক সংকটে ফেলে।

আবু আলি আল-হারিথি ছিলেন আল-কায়েদার ইয়েমেন শাখার শীর্ষ নেতা। ২০০২ সালে ইয়েমেনের মারিব অঞ্চলে মার্কিন সিআইএ পরিচালিত প্রিডেটর ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দিককার আন্তর্জাতিক ড্রোন টার্গেটেড কিলিংগুলোর একটি।
এই হামলা প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে থেকেও ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাতে প্রস্তুত। তবে একইসাথে এটি আন্তর্জাতিক আইন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রশ্নে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করে।
অনেকে বলেন, এই ঘটনাই পরবর্তীকালে ড্রোন যুদ্ধনীতির ভিত্তি স্থাপন করে, যা পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত হয়। ফলে হারিথির মৃত্যু শুধু একটি ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনা নয়, বরং আধুনিক ড্রোন যুদ্ধনীতির সূচনালগ্নের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আবু বকর আল-বাগদাদি ছিলেন তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও “খলিফা” ঘোষিত নেতা। ২০১৪ সালে ইরাকের মসুল দখলের পর তিনি একটি মসজিদে দাঁড়িয়ে খেলাফত ঘোষণা দেন, যা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরমপন্থী উত্থানের প্রতীক হয়ে ওঠে। তার নেতৃত্বে আইএস ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং গণহত্যা, অপহরণ ও সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর সিরিয়ার বারিশা অঞ্চলে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে তিনি নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, অভিযানের সময় ধরা পড়ার আশঙ্কায় বাগদাদি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটান। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনাকে আইএস-এর বিরুদ্ধে বড় বিজয় হিসেবে ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যু আইএস-এর সাংগঠনিক শক্তিতে বড় আঘাত হানে, তবে সংগঠনটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। বিশ্লেষকরা বলেন, বাগদাদির উত্থান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও ক্ষমতার শূন্যতার ফল, আর তার পতন প্রমাণ করে যে চরমপন্থী নেটওয়ার্ক ধ্বংসে আন্তর্জাতিক সামরিক সমন্বয় কতটা কার্যকর হতে পারে।

আনোয়ার আল-আওলাকি ছিলেন ইয়েমেনি-মার্কিন বংশোদ্ভূত ইসলামি বক্তা ও আল-কায়েদা ইন দ্য অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা (AQAP)-এর প্রচারক। ইংরেজিতে দক্ষ হওয়ায় তিনি পশ্চিমা তরুণদের মধ্যে চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হন। যুক্তরাষ্ট্র তাকে “লোন উলফ” হামলাকারীদের অনুপ্রেরণাদাতা হিসেবে চিহ্নিত করে।
২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের শাবওয়া অঞ্চলে মার্কিন ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—তিনি একজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। ফলে তার হত্যাকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই সাংবিধানিক অধিকার ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রশ্ন তোলে।
অনেকে যুক্তি দেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তিনি বৈধ লক্ষ্যবস্তু ছিলেন। অন্যদিকে সমালোচকেরা বলেন, তাকে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ার সুযোগ না দিয়ে হত্যা করা নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী। আল-আওলাকির মৃত্যু সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নাগরিকত্ব ও আইনের শাসন নিয়ে গভীর বিতর্ক সৃষ্টি করে।

মোল্লা আখতার মানসুর ছিলেন আফগান তালেবানের প্রধান, মোল্লা ওমরের মৃত্যুর পর তিনি নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তার সময়ে তালেবান আফগানিস্তানে পুনরায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়া বারবার ব্যাহত হয়।
২০১৬ সালের মে মাসে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে মার্কিন ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, তিনি আফগানিস্তানে সহিংসতা অব্যাহত রাখছিলেন এবং শান্তি আলোচনায় বাধা দিচ্ছিলেন।
এই হামলা পাকিস্তানের ভেতরে পরিচালিত হওয়ায় কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একইসঙ্গে এটি দেখায় যে যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের বাইরে গিয়েও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে প্রস্তুত। মানসুরের মৃত্যু তালেবানের নেতৃত্বে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি করলেও সংগঠনটি পরবর্তীতে পুনর্গঠিত হয়।

আবু ইব্রাহিম আল-হাশিমি আল-কুরাইশি ছিলেন বাগদাদির মৃত্যুর পর আইএস-এর নতুন নেতা। তিনি সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করেন এবং সিরিয়া-ইরাকে ছড়িয়ে থাকা সেলগুলোকে সংগঠিত রাখেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিরিয়ার আতমেহ অঞ্চলে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে তিনি নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, অভিযানের সময় তিনি নিজেই বিস্ফোরণ ঘটান, যাতে তার পরিবারসহ কয়েকজন নিহত হন।
তার মৃত্যু আইএস নেতৃত্বে আরেক দফা সংকট তৈরি করে। তবে বিশ্লেষকরা বলেন, আইএস একটি বিকেন্দ্রীকৃত নেটওয়ার্কে রূপ নেওয়ায় কেবল নেতা হত্যায় পুরো সংগঠন ধ্বংস করা কঠিন। তবুও এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী কৌশলের ধারাবাহিকতা প্রদর্শন করে।