7 Best Books of Zakir Talukder

Zakir Talukder
Category : 

Zakir Talukder is one of the contemporary Bengali fiction writers. He is also the most talked about author of this decade. His views are often debated in the literary community. He was born on 20 January 1965 in Natore. He is a doctor by profession. Constant turning is the main feature of his literature. His distinctive position in subject and form, medium and variety is recognized in all circles. He was awarded the Bangla Academy Literary Award in 2014, but announced his rejection of the award on 28 January 2024 after 10 years. There are various discussions and criticisms on this matter. Regarding the rejection of the award, he said, "Bangla Academy's lack of democracy, bureaucracy, 25 years of running the academy without electing the executive council has lost its acceptance among the conscious people."

zakir talukder

Zakir Talukder has written more than 25 books so far. These include books of stories, novels, essays and children's literature. Here we list his 7 best books, which you can read to get a better understanding of Zakir Talukder's writings. His writings are undoubtedly of international standards and able to satisfy the mind of the readers. So reading Zakir Talukdar's book at this time is essential for all Bengali readers.

০৭. কুরসিনামা

কুরসিনামা


ধরণঃ উপন্যাস
বিষয়বস্তুঃ একাত্তরের অব্যবহিত পরে জন্ম নেওয়া পিতৃপরিচয়হীন একটি শিশুর প্রতিকূল সমাজবাস্তবতায় মনস্তাত্ত্বিক ঘাতপ্রতিঘাতে বেড়ে ওঠা দিয়ে উপন্যাসের শুরু। যার মা যৌবন বিরূপ প্রতিবেশের মাঝে স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নিয়েছে উদ্বন্ধনে। তার জন্ম থেকে বড় হয়ে ওঠার পুরো সময়কার শুধু নিগৃহীত হবার বিবর্ণ ঘটনায় ভরপুর। সে কখনো রুখে দাঁড়াতে, প্রতিরোধ করতে কিংবা প্রতিকার চাইতে শেখে নি। নির্যাতন এবং বঞ্চনাকে সে ললাট লিখনের মতো অমোঘ বলে মেনে নিয়েছে। কিন্তু সহ্যশক্তির পরীক্ষায় শেষপর্যন্ত সে হেরে যায়। বাঁচার রাস্তা খোঁজে। নিজের ভিতর অন্তত নিগৃহীত হবার কারণ কিংবা উত্তর খুঁজতে গিয়ে বুঝতে পারে পিতৃপরিচয়হীন বলেই সে বর্তমান অবস্থার শিকার। পুরো উপন্যাসে তার সমান্তরালে বিন্যস্ত হয়েছে মধ্যযুগের কবি শুকুর মামুদের ‘গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস’ আখ্যানটি। গুপচন্দ্রের পিতৃপরিচয় জানার আকুলতার সঙ্গে মিশে যায় একাত্তরের যুদ্ধশিশুর আকুলতা ও দীর্ঘশ্বাস।

০৬. ১৯৯২

১৯৯২


ধরণঃ উপন্যাস
ফ্লাপঃ লেনিনের মূর্তিতে পরানাে হয়েছে ফাসির রজ্জ্ব। দিকে দিকে বিজয়ী পুঁজিবাদের দাম্ভিক ঘােষণা। ‘ক্যাপিটালিজম ইজ দি এন্ড অফ হিস্টরি। অসাম্য থাকবে, অশিক্ষা-বাস্তুহীনতা থাকবে। পতিতাবৃত্তি থাকবে। সুকুমার সব বৃত্তি হবে পণ্য। সব মানুষের অধিকার থাকবে না মানুষ হয়ে ওঠার ।বিপ্লবপ্রত্যাশী প্রান্তকর্মী মনা মাস্টার, ফরহাদরা পথ খুঁজতে দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র-তাত্ত্বিক-নেতাদের। আর সবিস্ময়ে আবিস্কার করে‘পথ প্রদর্শকরাই মেতেছে পথ ভােলানাের ষড়যন্ত্রে,। প্রিয় নেতারা পরিধান করেছে বিশ্বাসহন্তার পােশাক, তাদের মুখ থেকে সরে গেছে পুতুল নাচের মুখােশ।' ক্ষত-বিক্ষত সেই গ্লানিবর্ষের নাম- ১৯৯২। আবার ধ্বংসস্তুপের মধ্যে কিছু মানুষের অটল দাঁড়িয়ে থাকার নামও ১৯৯২।

০৫. রক্তমাখা চাঁদের আলো

রক্তমাখা চাঁদের আলো


ধরণঃ উপন্যাস
ফ্লাপঃ জাকির তালুকদারের লেখা মানেই নতুন কিছু। তাঁর কোনাে বই আগের বইয়ের মতাে হয় না। রিপিটেশন তার মধ্যে কখনােই পাওয়া যাবে না। লেখালেখিকে পুরােপুরি মুক্ত একটি মাধ্যমে পরিণত করেছেন তিনি।
তাই তাঁর অনেক বইকেই সাহিত্যের প্রচলিত কোনাে বর্গের মধ্যে ফেলা যায় না। কিন্তু সেগুলাে সাহিত্য। নতুন, মনােমুগ্ধকর এবং চিন্তাউদ্রেকী। “রক্তমাখা চাঁদের আলাে’ ঠিক সেই রকমই আরেকটি নতুন আঁক সৃষ্টিকারী বই। স্মৃতিকথা নয়, সাহিত্য সমালােচনা নয়, প্রবন্ধ নয়, নিবন্ধ নয়। অথচ সবকিছুই আছে এই গ্রন্থে। ভবিষ্যতে বাংলা বইয়ের পাঠকদের দুই ভাগে ভাগ করা হতে পারে। এক ভাগ পড়েছেন ‘রক্তমাখা চাঁদের আলাে'। অন্য ভাগ পড়েননি। আপনাকে প্রথমােক্তদের সারিতে আহ্বান জানাই।

০৪. সেরা ৫০টি গল্প

সেরা ৫০টি গল্প


ধরণঃ গল্পসমগ্র
ফ্লাপঃ সীমানা জুড়ে কাঁটাতার যতই নাক উঁচিয়ে পাহারা দিক, নৃতাত্ত্বিক-ভাষিক-সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার বলে আম-বাঙালির 'ওপারে যে বাংলাদেশ, এপারে সেই বাংলা'। তথাপি দেশভাগ বিশেষ করে বাংলা-ভাগের কড়া সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক পরিসর তো সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রই। সেই স্বাতন্ত্র্য নিয়ে বাংলাদেশের সাহিত্যচর্চা একটা নতুন পরম্পরাও বটে। ঐতিহ্যকে আত্মস্থ করেই এই পরম্পরা চলৎ প্রবাহ। বাংলাভাষায় বাংলাদেশের গল্পলেখার সোচ্চার ঘোষণা দিয়ে ছোটগল্প, উপন্যাস লিখতে এসেছেন জাকির তালুকদার। বিশেষ করে ছোট গল্প লেখার বিষয়ে তার মতো ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে লিখতে আসা লেখকের সংখ্যা খুবই কম। অবাস্তব কলাকৈবল্যবাদ এবং তরল বাস্তববাদ এই দুই রুগ্ন প্রকৃতির হাত থেকে মুক্ত জাকির ছোট গল্প। বাংলা ছোটগল্পে মুসলমান মিথ প্রয়োগের সফল পথিকৃৎ তিনি। আবার বাংলাদেশের নিম্নবর্গের মানুষ নিজেদের বেঁচে থাকার রস ও রসদ সংগ্রহ করে যেসব উপাচার থেকে, সেই গ্রামীণ আধ্যাত্মিকতার প্রথম আবিষ্কার ও প্রয়োগ জাকির তালুকদারের গল্পে। ফলত বাংলাদেশের কথা সাহিত্য মাত্র নয়, বাংলা কথা সাহিত্যেই অপরিহার্য হয়ে উঠেছে জাকির তালুকদারের গল্প।

০৩. কার্ল মার্কস মানুষটি কেমন ছিলেন

কার্ল মার্কস মানুষটি কেমন ছিলেন


ধরণঃ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব
লেখকের কথাঃ কার্ল মার্কসের মতাে মানুষদের ব্যক্তিজীবন সবসময়ই আড়ালে চলে যায় তাদের কীর্তি এবং অবদানের বিশালতার কারণে। মার্কসের ব্যক্তিজীবন আড়াল করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছেন একদিকে তার ভক্তরা, অন্যদিকে শত্রুরা। ভক্তরা করেছেন, যাতে মার্কসের পয়গম্বরসুলভ ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। আর শত্রুরা করেছেন এই কারণে যে মার্কসের বিরােধিতা করতে বসেও ব্যাপক প্রশংসা না করে কোনাে উপায় থাকে না। তারপরেও কার্ল মার্কসের অনেকগুলাে জীবনকথা প্রকাশিত হয়েছে। বলাবাহুল্য, সেগুলাে একমুখী বিধায় সেখানে রক্তমাংসের মানুষটি অনুপস্থিত। এসব কথা না লিখলেও চলত। কিন্তু নিচের কথাগুলাে বলতে হবে বলেই ওপরের কথাগুলাে বলা। এই ধরনের পুস্তক কখনােই মৌলিক হতে পারে না। অনেক ভাষার অনেক লেখকের বই, আলােচনা, অন্তর্জাল থেকে তথ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

০২. মুসলমানমঙ্গল


ধরণঃ উপন্যাস
ফ্লাপঃ ‘আমি প্রতিটি অন্ধকার গুহা হাতড়েছি, আমি প্রতিটি সমস্যার ওপর অভিঘাত করেছি, আমি প্রতিটি অতল গহ্বরে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। আমি প্রতিটি দলের ধর্মমত পরীক্ষা করেছি। এ সবই আমি করেছি যেন আমি সত্য ও মিথ্যার মধ্যে, এবং নির্ভুল সুন্নাহ ও বিদআতের মধ্যে তারতম্য করতে পারি। যখনই আমি কোনো বাতেনিকে দেখি, তখনই আমি তার মতবাদ পড়তে চাই। যখনই আমি কোনো জাহেরিকে দেখি তখন তার বিশ্বসের মূল বিষয়গুলি জানতে চাই। যদি তিনি দার্শনিক হন তবে আমি তার দর্শনের অন্তঃসারগুলি জানতে চাই। যদি তিনি মুকতাল্লিম হন তাহলে আমি তার ধর্মতত্ত্বের যুক্তি পরীক্ষায় ব্যাপৃত হই। যদি তিনি সুফি হন আমি তার সুফিতত্ত্বের রহস্য উদ্‌ঘাটনে ব্যাকুল হই। যদি তিনি সংসারবিরাগী হন আমি তাহলে তার বৈরাগ্যের আচার-ব্যবহারের ভিত্তি অনুসন্ধান করি। যদি তিনি যিন্দিক হন তাহলে আমি তার এই ধরনের মত গ্রহণের সাহসিকতার কারণ অনুসন্ধানের জন্য অনেক গভীরে তাকাই’।

০১. পিতৃগণ

পিতৃগণ


ধরণঃ উপন্যাস
ফ্লাপঃ বরেন্দির ভূমিপুত্রনেতা ভীম ও তার সহযোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করতে রামপালের সাথে যোগ দিয়েছে আঠারো রাজা-সামন্ত-মহাসামন্ত। অঙ্গদেশাধিপতি মথন দেব, মহাপ্রতিহার শিবরাজদেব, রাজা কাহ্নুর দেব, রাজা সূবণ্যদেব, পীটীর রাজা দেবরক্ষিত মগধের অধিপতি ভীমযশাঃ, কোটাটবীর রাজা বীরগুণ, উৎকলরাজ জয়সিংহ, দেবগ্রামের রাজা বিক্রমরাজ, অপরমন্দারের মহারাজা লক্ষীপূর, তৈলকম্পের কল্পতর রুদ্রশিখর, কুজবটীর শূরপাল, উচ্ছালের রাজা ময়গলসীহ, ঢেক্করীর রাজা প্রতাপসীহ, কজঙ্গলের নরসিংহার্জুন, সঙ্কটগ্রামের চণ্ডার্জুন, নিদ্রাবলীর বিজয়রাজ আর কোশাম্বীপতি দ্বোরবর্ধন রথী পদাতিক অশ্বারোহী হস্তিযুথ নিয়ে ভীমের বিপক্ষে।

তাদের হয়ে বীরগাথা রচনা করে ‘বরেন্দ্রী কাল্মিকী, সন্ধ্যাকর নন্দী। তার কাব্য ঘোষণা করে রামপালই সঠিক, আর ভূমিপুত্র কৈবর্তরা ধিকৃত। রামপালের সভাকবির কাছে কি অন্য কিছু আশা করা যায়?এইভাবে বিকৃত হয়ে যায় ইতিহাস। কেউ জানবে না, ভূমিপুত্ররা যে যুদ্ধ লড়ছে সেটাই ন্যায়যুদ্ধ। কারণ সেটাই স্বাধীনতার যুদ্ধ।তাহলে আমরা , তাদের হাজার পরের প্রজন্ম, কোনোদিন কি জানতে পারব না পিতৃগণের গৌরবের সমাচার?জানব!সেই জন্যই তো দাসজন্মের শৃঙ্খল দুমড়ে-মুচড়ে ছুঁড়ে ফেলে মাতৃভূমিতে ফিরে আসছে কৈবর্ত -কবি পপীপ। সেই জন্যই তো পুঁথি, ভূর্জপত্র, খাগের লেখনি আর ভূষামাটি লাক্ষার কালির পাশাপাশি কবি পপীপ অস্ত্রহাতে চলে যুদ্ধযাত্রায়। জানব বলেই সেই পোড়ামাটি নিচে চাপাপড়া ইতিহাসে শিল্পের আলো প্রক্ষেপিত হয়ে রচিত হয় উপন্যাস ‘পিতৃগণ’

magnifiercrossmenu