অনুসন্ধান করুন

রেবেকা বুক রিভিউ : অনুপস্থিত এক নারীর ছায়ায় প্রেম, রহস্য ও ভয়ের গল্প

📅 সর্বশেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬
রেবেকা বুক রিভিউ : অনুপস্থিত এক নারীর ছায়ায় প্রেম, রহস্য ও ভয়ের গল্প
📢 শেয়ার করুন:

‘রেবেকা’ ড্যাফনে ডু মরিয়রের এমন একটি উপন্যাস, যেখানে প্রেম, রহস্য, ভয়, ঈর্ষা, স্মৃতি এবং মানসিক দ্বন্দ্ব একে অন্যের সঙ্গে এমনভাবে মিশে যায় যে বইটি শেষ করার পরও এর আবহ অনেকক্ষণ পাঠকের মনে থেকে যায়। এটি নিছক একটি প্রেমের গল্প নয়, আবার প্রচলিত অর্থে কেবল একটি রহস্য-উপন্যাসও নয়। বরং মানুষের মনে অতীত কীভাবে বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে—সেই ভয়ংকর সত্যকে কেন্দ্র করে নির্মিত এক অসাধারণ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।

উপন্যাসটির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—‘রেবেকা’ চরিত্রটি যেন গল্পে উপস্থিত না থেকেও পুরো গল্পকে নিয়ন্ত্রণ করে। একজন মৃত মানুষ কীভাবে জীবিত মানুষদের জীবন, সম্পর্ক ও সিদ্ধান্তের ওপর ছায়া বিস্তার করতে পারে, ড্যাফনে ডু মরিয়র সেই বিষয়টিই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।



বইটি সম্পর্কে

বই: রেবেকা
মূল লেখক: ড্যাফনে ডু মরিয়র
অনুবাদক: জাওয়াদ উল আলম, আমিনুল ইসলাম (ফিকশন)
প্রকাশনী: সফা প্রকাশনী
ধরন: রহস্য, মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার, গথিক উপন্যাস, রোমান্স


শুরুতেই যে রহস্য

উপন্যাসের বিখ্যাত সূচনা—“গত রাতে স্বপ্নে আমি আবারও ম্যান্ডারলে গিয়েছিলাম।”

এই একটি বাক্যই যেন পুরো উপন্যাসের দরজা খুলে দেয়।

ম্যান্ডারলে—একটি বিশাল, রহস্যময় বাড়ি। কিন্তু এখানে সেটি কেবল একটি বাড়ি নয়; বরং এটি হয়ে ওঠে অতীতের স্মৃতি, হারানো সম্পর্ক, গোপন সত্য এবং ভয়কে ধারণ করা একটি প্রতীক।

স্বপ্নে কথক যখন আবার ম্যান্ডারলের সামনে দাঁড়ান, তখন দেখা যায় বাড়িটি জনমানবহীন। প্রবেশদ্বারে শেকল ও তালা, দারোয়ানের কুটির ফাঁকা, চিমনি দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে না, জানালাগুলো পরিত্যক্ত।

সবকিছু মিলিয়ে মনে হয়—বাড়িটি যেন বহুদিন ধরে মৃত।

কিন্তু প্রকৃত অর্থে ম্যান্ডারলে মৃত নয়। বরং প্রকৃতি সেখানে ফিরে এসে বাড়িটিকে গ্রাস করে নিচ্ছে।

গাছের শাখা-প্রশাখা, সরু হয়ে যাওয়া পথ এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়া বুনো প্রকৃতি মিলে তৈরি করে এক অসাধারণ গথিক আবহ।


ম্যান্ডারলে: শুধু একটি বাড়ি নয়

‘রেবেকা’ উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র আসলে ম্যান্ডারলে।

হ্যাঁ, একটি বাড়িও কখনো কখনো গল্পের চরিত্র হয়ে উঠতে পারে। এই উপন্যাসে সেটিই ঘটেছে।

ম্যান্ডারলে তার বিশালতা, সৌন্দর্য, ঐতিহ্য এবং রহস্য নিয়ে গল্পের প্রতিটি চরিত্রের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। বাড়িটির প্রতিটি ঘর, প্রতিটি আসবাব, প্রতিটি স্মৃতি যেন রেবেকার উপস্থিতির সাক্ষ্য বহন করে।

নতুন মিসেস ডি উইন্টার যখন ম্যান্ডারলে আসেন, তখন তিনি শুধু নতুন একটি বাড়িতে প্রবেশ করেন না—তিনি প্রবেশ করেন অন্য একজন নারীর তৈরি করে যাওয়া এক সম্পূর্ণ জগতে।

আর সেই নারী হলেন রেবেকা।


রেবেকা কোথায়?

এই উপন্যাসের সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হলো—রেবেকাকে আমরা শুরু থেকেই মৃত হিসেবে জানি।

তবু মনে হয়, সে যেন সর্বত্র উপস্থিত।

তার পোশাক আছে।
তার ঘর আছে।
তার ব্যবহার করা জিনিস আছে।
তার পরিচিত মানুষ আছে।
তার স্মৃতি আছে।
তার সম্পর্কে সবার নিজস্ব ধারণা আছে।

কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—তার অনুপস্থিতিই যেন তার সবচেয়ে শক্তিশালী উপস্থিতি।

নতুন মিসেস ডি উইন্টার যতই নিজের জায়গা তৈরি করতে চান, ততই তিনি বুঝতে পারেন, ম্যান্ডারলের মানুষদের কাছে তিনি যেন রেবেকার বিকল্প মাত্র।


নতুন মিসেস ডি উইন্টার: অনিশ্চিত এক নায়িকা

উপন্যাসের কথক বা নায়িকা নিজের নাম প্রকাশ করেন না। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যিক কৌশল।

তিনি যেন শুরু থেকেই নিজের পরিচয় নিয়ে অনিশ্চিত।

তিনি তরুণী, অনভিজ্ঞ এবং কিছুটা আত্মবিশ্বাসহীন। বিপরীতে রেবেকা ছিলেন সুন্দরী, আকর্ষণীয়, আত্মবিশ্বাসী এবং সামাজিকভাবে প্রভাবশালী।

ফলে নতুন মিসেস ডি উইন্টার ম্যান্ডারলে এসে প্রতিনিয়ত নিজেকে রেবেকার সঙ্গে তুলনা করতে থাকেন।

তিনি ভাবেন—

আমি কি রেবেকার মতো সুন্দর?
আমি কি রেবেকার মতো দক্ষ?
আমি কি এই বাড়ির উপযুক্ত?
ম্যাক্সিম কি এখনো রেবেকাকে ভালোবাসেন?

এই প্রশ্নগুলো ধীরে ধীরে তাঁর মনে ভয় এবং আত্মসংশয় তৈরি করে।


ম্যাক্সিম ডি উইন্টার

ম্যাক্সিম ডি উইন্টারও একটি জটিল চরিত্র।

তিনি একজন বিধুর। প্রথম স্ত্রী রেবেকার মৃত্যুর পর তাঁর জীবনে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। নতুন স্ত্রীকে বিয়ে করার পরও সেই অতীত পুরোপুরি তাঁর জীবন থেকে মুছে যায় না।

তাঁর চরিত্রের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো—তিনি সবসময় পাঠকের কাছে পুরোপুরি স্বচ্ছ নন।

তাঁর আচরণে কখনো ভালোবাসা আছে, কখনো দূরত্ব, কখনো অপরাধবোধ, আবার কখনো এমন কিছু রহস্যময়তা আছে যা পাঠককে সন্দেহ করতে বাধ্য করে।

ফলে ম্যাক্সিমকে বোঝার চেষ্টা করাও হয়ে ওঠে গল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


মিসেস ড্যানভার্স: ভয়ের আরেক নাম

রেবেকার সঙ্গে সবচেয়ে গভীরভাবে যুক্ত চরিত্রগুলোর একটি হলো মিসেস ড্যানভার্স।

ম্যান্ডারলের গৃহপরিচারিকা হিসেবে তিনি রেবেকার প্রতি অদ্ভুত রকমের অনুগত।

নতুন মিসেস ডি উইন্টারকে তিনি কখনোই সত্যিকার অর্থে গ্রহণ করতে পারেন না।

এখানেই তাঁর চরিত্র ভয়ংকর হয়ে ওঠে।

তিনি সরাসরি সবসময় আক্রমণ করেন না। বরং তাঁর আচরণ, দৃষ্টি, কথাবার্তা এবং নীরবতার মাধ্যমে নতুন মিসেস ডি উইন্টারের মনে ক্রমাগত হীনম্মন্যতা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

মিসেস ড্যানভার্স যেন রেবেকার স্মৃতির জীবন্ত রক্ষক।


ঈর্ষা ও আত্মসংশয়ের অসাধারণ ব্যবহার

‘রেবেকা’র অন্যতম প্রধান বিষয় হলো ঈর্ষা।

তবে এখানে ঈর্ষা কেবল স্বামীকে নিয়ে অন্য নারীর প্রতি ঈর্ষা নয়।

এটি আসলে এমন একজন নারীর প্রতি ঈর্ষা, যিনি আর বেঁচে নেই—কিন্তু যাঁকে সবাই এত বেশি ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে বা স্মরণ করে যে জীবিত নারীটি নিজেকে তাঁর কাছে তুচ্ছ মনে করতে শুরু করে।

এই অনুভূতিটি অত্যন্ত মানবিক।

কারণ নতুন মিসেস ডি উইন্টার কখনো রেবেকার সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করতে পারেন না। রেবেকা মৃত। ফলে তাঁর কোনো ভুল নেই, কোনো দুর্বল মুহূর্ত নেই, কোনো নতুন আচরণ নেই।

তিনি কেবল একটি নিখুঁত স্মৃতি হয়ে আছেন।

আর একটি জীবন্ত মানুষের পক্ষে নিখুঁত স্মৃতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা অসম্ভব।


ভয়ের প্রকৃতি

‘রেবেকা’কে পড়তে গিয়ে সবচেয়ে চমৎকার যে বিষয়টি অনুভব করা যায় তা হলো—এখানে ভয় সবসময় ভূত বা অতিপ্রাকৃত কোনো ঘটনার ওপর নির্ভর করে না।

বরং ভয় তৈরি হয়—

  • অজানা অতীত থেকে
  • মানুষের আচরণ থেকে
  • নীরবতা থেকে
  • গোপন সত্য থেকে
  • নিজের ওপর আস্থা হারানো থেকে
  • মৃত একজন মানুষের স্মৃতি থেকে
  • এবং সবচেয়ে বেশি—নিজের কল্পনা থেকে

এই কারণেই উপন্যাসটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে এত শক্তিশালী।


গথিক আবহ

ড্যাফনে ডু মরিয়র গথিক সাহিত্যের উপাদানগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করেছেন।

ম্যান্ডারলের বিশাল বাড়ি, অন্ধকার ঘর, সমুদ্র, বনভূমি, নির্জনতা, অতীতের স্মৃতি, মৃত মানুষের উপস্থিতির অনুভূতি—সব মিলিয়ে একটি চাপা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।

প্রদত্ত অংশেও প্রকৃতির বর্ণনা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। বহুদিন পর প্রকৃতি যেন নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছে। মানুষের তৈরি পথকে গাছপালা ধীরে ধীরে গ্রাস করছে।

এই দৃশ্যটি শুধু সৌন্দর্যের বর্ণনা নয়। এর মধ্যে যেন একটি প্রতীকী অর্থও রয়েছে—

মানুষ চলে যায়, কিন্তু স্মৃতি থেকে যায়; আবার সময়ের সঙ্গে প্রকৃতি সেই স্মৃতির ওপরও নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।


ভাষা ও বর্ণনাশৈলী

‘রেবেকা’র সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলোর একটি হলো এর বর্ণনাশৈলী।

প্রথম পুরুষে গল্প বলা হয়েছে বলে পাঠক সরাসরি নায়িকার মনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন।

তিনি যা দেখছেন, পাঠকও তা-ই দেখছেন।

তিনি যা নিয়ে ভয় পাচ্ছেন, পাঠকও সেই ভয় অনুভব করছেন।

তিনি যে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ করছেন, পাঠকও সেটি নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ছেন।

এই দৃষ্টিভঙ্গি রহস্যকে আরও তীব্র করে তোলে।

বাংলা অনুবাদেও যদি মূল লেখার আবহ, বাক্যের গতি এবং মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনা যথাযথভাবে ধরে রাখা যায়, তাহলে পাঠের অভিজ্ঞতা বেশ উপভোগ্য হয়।


উপন্যাসটির সবচেয়ে বড় শক্তি

আমার কাছে ‘রেবেকা’র সবচেয়ে বড় শক্তি হলো অনুপস্থিত একটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে পুরো গল্প নির্মাণের অসাধারণ কৌশল।

সাধারণত গল্পের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে পাঠক দেখতে পান, তার সঙ্গে কথা বলেন, তার কর্মকাণ্ড দেখেন।

কিন্তু এখানে রেবেকা নেই।

তারপরও গল্পের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাঁর ছায়া অনুভূত হয়।

এটি লেখকের অসাধারণ সৃজনশীলতা।

রেবেকাকে আমরা যত বেশি জানতে চাই, তত বেশি রহস্য তৈরি হয়।


প্রেমের গল্প, নাকি রহস্যের গল্প?

আসলে দুটোই।

তবে এর চেয়েও বেশি এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক গল্প।

এখানে প্রেম আছে, কিন্তু সেই প্রেমের সঙ্গে আছে অতীতের ভার।

রহস্য আছে, কিন্তু সেই রহস্যের সঙ্গে আছে মানুষের মনের ভয়।

ভৌতিক আবহ আছে, কিন্তু ভূতের প্রয়োজন নেই।

এ কারণেই ‘রেবেকা’কে একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় আটকে রাখা কঠিন।


বইটি থেকে যে বিষয়গুলো ভাবায়

উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন বারবার মনে আসে—

একজন মৃত মানুষ কি জীবিত মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে?

স্মৃতি কি বাস্তবতার চেয়েও শক্তিশালী হতে পারে?

আমরা কি সত্যিই অন্য কারও অতীতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারি?

একজন মানুষকে আমরা যেভাবে মনে রাখি, সে কি সত্যিই তেমন ছিল?

এই প্রশ্নগুলোই ‘রেবেকা’কে শুধু একটি বিনোদনমূলক রহস্য উপন্যাসের সীমা ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।


কারা পড়বেন?

‘রেবেকা’ বিশেষভাবে ভালো লাগতে পারে তাঁদের, যারা—

  • মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার পছন্দ করেন
  • রহস্য ও গথিক উপন্যাস ভালোবাসেন
  • ধীরগতির কিন্তু গভীর গল্প উপভোগ করেন
  • চরিত্রের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করতে ভালোবাসেন
  • প্রেম ও রহস্যের মিশ্রণ পছন্দ করেন
  • ড্যাফনে ডু মরিয়রের সাহিত্য পড়তে চান
  • বাংলা অনুবাদে বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত উপন্যাস পড়তে আগ্রহী


আমাদের মতামত

‘রেবেকা’ এমন একটি উপন্যাস, যেখানে আসল ভয় কোনো অন্ধকার ঘরে লুকিয়ে থাকা ভূতের নয়; আসল ভয় হলো অতীতের।

একটি মৃত নারী কীভাবে একটি বাড়ি, একটি পরিবার, একটি সম্পর্ক এবং একজন জীবিত নারীর আত্মবিশ্বাসের ওপর নিজের ছায়া বিস্তার করে রাখে—ড্যাফনে ডু মরিয়র সেই গল্পই বলেছেন অসাধারণ দক্ষতায়।

ম্যান্ডারলে তাই শুধু একটি বাড়ি নয়। এটি একটি স্মৃতির গোলকধাঁধা। আর রেবেকা সেখানে নেই, অথচ সর্বত্র আছেন।

প্রদত্ত সূচনাটির মতোই পুরো উপন্যাসের আবহে প্রকৃতি, স্মৃতি ও রহস্য একসঙ্গে কাজ করে। পথ যত এগোয়, রহস্য তত গভীর হয়; আর পাঠকও ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন—কখনো কখনো একজন মানুষের সবচেয়ে শক্তিশালী উপস্থিতি তার অনুপস্থিতি।

এই বিভাগের আরও রিভিউ ও ব্লগ

সবগুলো দেখুন »
দ্য ভিঞ্চি কোড: শিল্প, ধর্মীয় ইতিহাস ও গুপ্তরহস্যের শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলার Books
★ ৪.৫

দ্য ভিঞ্চি কোড: শিল্প, ধর্মীয় ইতিহাস ও গুপ্তরহস্যের শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলার

ইতিহাসের পাতায় লুকিয়ে থাকা সংকেত, প্রাচীন প্রতীক, গুপ্ত সংঘের রহস্য আর একের পর এক হত্যাকাণ্ড—এসব উপাদান যখন একই কাহিনিতে মিলিত...

কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক, পর্দা ও দেহ-সজ্জা: ইসলামী জীবনাচার জানার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা Books
★ ৪.৪

কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক, পর্দা ও দেহ-সজ্জা: ইসলামী জীবনাচার জানার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

পোশাক মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধু শরীর আবৃত করার উপকরণ নয়; ব্যক্তির রুচি, পরিচ্ছন্নতা, ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক আচরণেরও...

দ্য প্রফেট: মহানবী (সা.)-এর জীবন, সংগ্রাম ও বিশ্ব পরিবর্তনের অনন্য আখ্যান Books
★ ৪.৮

দ্য প্রফেট: মহানবী (সা.)-এর জীবন, সংগ্রাম ও বিশ্ব পরিবর্তনের অনন্য আখ্যান

ইতিহাসে এমন কিছু মানুষের আবির্ভাব ঘটে, যাঁদের প্রভাব কোনো নির্দিষ্ট সময়, ভূখণ্ড কিংবা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাঁদের জীবন...

আর রাহিকুল মাখতুম: মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ জানার এক অনন্য গ্রন্থ Books
★ ৪.৬

আর রাহিকুল মাখতুম: মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ জানার এক অনন্য গ্রন্থ

ইসলামের ইতিহাস জানতে হলে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, তাঁর দাওয়াত, সংগ্রাম, চারিত্রিক মহত্ত্ব এবং মানবতার জন্য রেখে যাওয়া শিক্ষাগুলো...